শেখের টেক – (৪০০ বছর পুরানো কালি মন্দির)
গহিন বন, চারদিকে ঘন গাছের সারি। এরই মধ্যে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে ইট পাথরের প্রাচীন এক মন্দির। মন্দিরটি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে হাতে তৈরি ইট ও চুন এবং স্থানীয় নদীর বালু।
বিস্তারিত
গহিন বন, চারদিকে ঘন গাছের সারি। এরই মধ্যে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে ইট পাথরের প্রাচীন এক মন্দির। মন্দিরটি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে হাতে তৈরি ইট ও চুন এবং স্থানীয় নদীর বালু।
বিস্তারিতসুন্দরবনের উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য অন্য এলাকার তুলনায় ভিন্ন। সুন্দরবন উপকূলের নিচু নদীবেষ্টিত লবণাক্ত এলাকায় অবস্থিত। লবণাক্ততা এই বনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
বিস্তারিতবিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন মধুর স্বর্গরাজ্য। সুন্দরবনে যেসব গাছ হয় তার মধ্যে, খলিশা, গড়ান, কেওড়া, বাইন গাছে ফুল ধরে। এর মধ্যে সবচেয়ে দামী খলিশা ফুল।
বিস্তারিতওরিয়েন্টাল স্কোপ্স পেঁচা (Otus sunia) হল একটা ছোটো আকারের স্কোপ্স পেঁচা যাদেরকে প্রধানত পাওয়া যায় দক্ষিণ এশিয়া। প্রধানত শুষ্ক বনভুমিতে দেখতে পাওয়া যায়।
বিস্তারিতসোনালি থেকে লালচে বাদামি দেহের ওপর ছোপ ছোপ গোলাকার সাদা ফোঁটা থাকে। এমন বৈশিষ্ট্য থেকেই এ হরিণে নাম দেওয়া হয়েছে চিতাল হরিণ বা চিত্রা হরিণ।
বিস্তারিতসুন্দরবনের দক্ষিণ পূর্বকোণে মংলা বন্দর থেকে মাত্র ৯০ কিলোমিটার দূরে কটকায় রয়েছে এই সমুদ্র সৈকত। সৈকত এলাকায় ছোট বড় প্রচুর জামগাছের জন্যই এর নামকরণ করা হয়েছে জামতলা সমুদ্র সৈকত।
বিস্তারিতসুন্দরবনের কটকা নদীর পূর্ব দিকে অবস্থিত প্রাকৃতিক অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি হিসেবে পরিচিত কচিখালী সমুদ্র সৈকত একটি চমৎকার দর্শনীয় স্থান।
বিস্তারিতশতভাগ অর্গানিক মধু পাওয়া যায় সুন্দরবনে।সুন্দরবনের প্রাকৃতিক চাকের মধু হলো বাংলাদেশের সর্বোৎকৃষ্ট মধু। বুনো মৌমাছির দল এসকল গাছের ফুল থেকে পুস্পরস সংগ্রহ করে তাদের মৌচাকে মধু হিসেবে জমা করে।
বিস্তারিত