সুন্দরবনের ইকো রিসোর্ট গুলো কিভাবে বদলে দিয়েছে বনজসম্পদ উজাড় করা মানুষদের জীবন ও জীবিকা ?
ঢাংমারীর ইকো রিসোর্ট স্থানীয় মানুষের জন্য নতুন কর্মসংস্থান ও নিরাপদ আয়ের সুযোগ তৈরি করেছে, পাশাপাশি সুন্দরবন সংরক্ষণেও ভূমিকা রাখছে।
ঢাংমারীর ইকো রিসোর্ট স্থানীয় মানুষের জন্য নতুন কর্মসংস্থান ও নিরাপদ আয়ের সুযোগ তৈরি করেছে, পাশাপাশি সুন্দরবন সংরক্ষণেও ভূমিকা রাখছে।
বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন শুধু প্রাকৃতিক সম্পদেই নয়, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যেও সমৃদ্ধ।
যান্ত্রিক জীবনের জটিলতা এড়িয়ে নিরব নিস্তব্ধ পরিবেশে আভিজাত্যের সাথে দুই একটা দিন ঘুরে আসুন সুন্দরবনের পাশে অবস্থিত দ্যা ফরেস্ট রিট্রিট রিসোর্ট।
সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন, যা তার অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং বৈচিত্র্যময় এই বনভূমির মধ্যে অবস্থিত আন্ধারমানিক ইকো-ট্যুরিজম সেন্টার।
সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন এবং এটি বাংলাদেশের একটি গর্বের বিষয়। সুন্দরবন পাখিদেরও এক বিস্ময়কর অভয়ারণ্য। পাখিরা এই বনের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
সুন্দরবন, বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন,, যেখানে হাজারো বন্যপ্রাণী বাস করে। এই বনাঞ্চলের অন্যতম আকর্ষণীয় প্রাণী হলো লাল কাকড়া (Ocypode macrocera)।
বাংলাদেশের সুন্দরবনের এক লুকায়িত রত্
কালাবগী, সুন্দরবনের সীমান্তবর্তী একটি কম পরিচিত কিন্তু অত্যাশ্চর্য ইকো-ট্যুরিজম গন্তব্য।
সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন, যেখানে প্রকৃতি নিজেই তৈরি করেছে এক অনন্য প্রাণীকুল। এই বিস্তীর্ণ জলাভূমি ও সবুজ অরণ্য হাজারো প্রাণীর আশ্রয়স্থল।
গহিন বন, চারদিকে ঘন গাছের সারি। এরই মধ্যে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে ইট পাথরের প্রাচীন এক মন্দির। মন্দিরটি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে হাতে তৈরি ইট ও চুন এবং স্থানীয় নদীর বালু।